ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাই-রিস্ক কার্গো বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ
হযরত শাহজালাল ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা মানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্গো বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে ব্রিটিশ সরকারের আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা।
আন্তর্জাতিক আকাশপথে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের নির্বিঘ্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কর্তৃক আরোপিত "হাই-রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল" বিধিনিষেধ পুরোপুরি প্রত্যাহারের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের প্রত্যক্ষ কারিগরি ও নীতিগত সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানে উত্তীর্ণ দেশের প্রধান বিমানবন্দর
সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) কঠোর নিরাপত্তা অডিটে চমৎকার স্কোর অর্জন করেছে। অত্যাধুনিক এক্স-রে স্ক্যানার, বায়োমেট্রিক নজরদারি এবং কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনের ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক এবং কৃষি পণ্যের প্রধান গন্তব্য। এই কার্গো নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি উঠে গেলে প্রতি মাসে কোটি কোটি ডলারের রপ্তানি ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং পণ্য পরিবহনে সময় অর্ধেকেরও বেশি কমে আসবে।
ইন-আর্টিকেল স্পন্সরড বার্তা (In-Article Ad)
Zero-CLS Non-Blocking Responsive Unit